পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস ব্লেন্ডার্স পিএলসির পর্ষদ সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। ঘোষিত এ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৪ টাকা ৮২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯ টাকা ৮১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯০ টাকা ৮৭ পয়সায়।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৭ টাকা ৫৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৪৭ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ৪৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০৮ টাকা ৪৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৬০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস।
আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২১ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ৫০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৮৮ টাকা ৬৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৩ টাকা ৪৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮৭ টাকা ৫২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১৬০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস। এর মধ্যে ১৪০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ৪৩ টাকা ৪৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত), আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৪৩ পয়সা।
১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের অনুমোদিত মূলধন ৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ কোটি ৫৮ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৬১৬। এর মধ্যে ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সরকারের হাতে। এছাড়া উদ্যোক্তা পরিচালকের কাছে ১৫ দশমিক শূন্য ৪, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৮ দশমিক ২২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।